যেমন হবে মেটাভার্সের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া - Facebook
যেমন হবে মেটাভার্সের ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া - Facebook
বন্ধুদের সঙ্গে ডরমিটরিতে ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মার্ক জাকারবার্গ চালু করলেন দ্য ফেসবুক ডটকম। সে নামের সামনে থেকে একসময় ‘দ্য’ বাদ পড়ল, এবং পরিনত হল আজকের Facebook.com এ।
দীর্ঘ ১৭ বছর এই নামে যাত্রা পরিচালনা করার পর
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে করা হলো ‘মেটা’।
মেটাভার্স নামের ভার্চ্যুয়াল জগতে মনোনিবেশ করতেই এমন নাম গ্রহণ বলেও জানালেন মার্ক জাকারবার্গ।
মেটাভার্স কি?
মেটাভার্স হলো ভার্চুয়াল জগৎ। সহজ ভাষায় বোঝাতে বলা যায়, এটি হলো বাস্তবতার সঙ্গে ডিজিটাল সংমিশ্রণ। এ জগতে ব্যবহারকারীরা যার যার চেহারার সঙ্গে মিল রেখে অ্যাভাটার বানাতে পারবেন।
১৯৯২ সালে প্রকাশিত মার্কিন লেখক নিল স্টিফেনসনের লেখা ‘স্নো ক্র্যাশ’ উপন্যাসে তিনি প্রথম ব্যবহার করেন এবং বলেন,মেটাভার্স হলো এমন জগত যেখানে আপনি সশরীরে না থেকেও উপস্থিত থাকতে পারবেন।
২০১৭ সালে ভ্যানিটি ফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টিফেনসন জানান, নিজের একটি বিজ্ঞান-কল্পকাহিনিতে তিনি মেটাভার্স শব্দ এবং এর ধারণা প্রথম ব্যবহার করেন। এরপর প্রযুক্তি দুনিয়ায় শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
গুগল আর্থের স্রষ্টা জানিয়েছেন, স্টিফেনসনের মেটাভার্সের দুনিয়া তাকে গুগল আর্থ তৈরিতে অনুপ্রাণিত করেছে। fake taschen shop
তবে নতুন না হলেও মূলধারার আলোচনায় আনার স্বীকৃতি জাকারবার্গই পাবেন। মেটাভার্স তৈরিতে প্রথম বছরেই তিনি অন্তত এক হাজার কোটি ডলার খরচ করার কথা জানিয়েছেন এরই মধ্যে।
জাকারবার্গ জানান, ভবিষ্যতে কেবল ফোনকলে যোগাযোগ করার বদলে এক ব্যবহারকারী অন্য ব্যবহারকারীর সাথে ভার্চুয়ালি পাসে বসে কথা বলতে পারবেন।
